আসাউদ্দিন ওয়েসী করলেন এমন এক মন্তব্য শোনার পর প্রতিটি হিন্দু রেগে লাল..দেখুন ভিডিও ||
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
এ আই এম আই এম সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়াইসি মন্তব্য করলেন, "আর গেরুয়া নয়। এবার গোটা দেশ হবে সবুজে সবুজ। এটাকে এক ধরনের হুমকি বা উস্কানিও বলা যেতে পারে। ফের সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করলেনএর আগেও একাধিক বার তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। এই জন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই সাংসদ সংযত হননি।আসাউদ্দিন ওয়াইসি বললেন, "আপনারা গেরুয়া পড়লে কিছুই হয় না। কিন্তু আমরা সবুজ পরে সব সবুজ করে দেব। ইনসা আল্লাহ, আমাদের সবুজ রঙের কাছে কোনো রং টিকবে না। মোদীর রংও না আর কংগ্রেসের রংও না।"এর আগেও একাধিক বার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন ওয়াইসি। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও সংযত হননি এই সাংসদ।
এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বিজেপির তরফ থেকে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। সেই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষন দিচ্ছিলেন ঠিক সেই সময় সেখানকার অস্থায়ী প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনার পড়েও প্রধানমন্ত্রী তার ভাষন বন্ধ করেন নি বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও আসল সত্য এই যে মোদীজি ভাষণ কিছুমুহূর্তের জন্য বন্ধ করেন এবং আবার ভাষণ শুরু করেন। এই ভাষন চালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু সংবাদ মাধ্যম মোদীর অমানবিক আচরণ বলে দাবী করছে। অপর দিকে বিষেষজ্ঞরা মোদীজির এই ব্যাপারটিকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদীজি যে সময় ভাষন দিচ্ছিলেন তখন সেখানে লক্ষ লক্ষ লোক ছিল। সেখানে তিল ফেলার মত যায়গা ছিল না। উদ্যোক্তারা যতটা পরিমাণ আসা করেছিল ভিড় তার থেকে অনেক বেশি পরিমানে হয়ে গিয়েছিল। সেই ভিড়ের চাপ সহ্য করতে না পেরেই প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে যায় এবং অনেক লোক আহত হন। কিন্তু সেই সময় যদি সেই দুর্ঘটনার কথা মঞ্চ থেকে জানানো হত তাহলে তখন মাঠে হুড়োহুড়ি বেঁধে যেত তার ফলে বহু লোকের প্রান যেত পারত। তাই মোদীজি সেই সময় মঞ্চ ...
আজ ভারতবর্ষের ইতিহাসে অত্যাচারী মুঘলদের মিথ্যাগল্প পোড়ানো হলেও ভারতমাতার আসল বীরদের ইতিহাস পোড়ানো হয় না। আর তা পোড়ানো হবেই বা কেন, আসল সত্য ইতিহাসে প্রকাশ করলে তো কংগ্রেসের এক সম্প্রদায়ের প্রতি তোষণ নীতি উঠে যাবে এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপও সামনে চলে আসবে। দেশের অজানা ইতিহাস তো দূরে থাক দেশের সেনাদের বীরত্ব পর্যন্ত জনগণের থেকে লুকিয়ে রেখেছে কংগ্রেস। আপনারা নিশ্চয় ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো এর নাম শুনে থাকবে। হ্যাঁ অবশ্য নাম নাও শুনে থাকতে পারেন। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকজন সিনেমাজগতের লোকেদের নাম,তাদের জন্মদিন মনে রাখতে ব্যাস্ত থাকে। ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো ১৯১৪ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহন করেছিলেন।পাকিস্থানের টুকরো করে দেওয়া এই ব্যাক্তি পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পাকিস্থানের হাজার হাজার সৈনিককে সাফ করে পাকিস্তানকে থুতু চাটতে বাধ্য করেছিলেন সেই বীর মহাযোদ্ধা ছিলেন ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো। ১৯৭১ এর ভারত পাকিস্থান যুদ্ধের মহানায়ক ছিলেন ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো ছিলেন যিনি এই যুদ্ধের জন্য রণনীতি বানিয়েছিলেন এবং পাকিস্থানের উপর এক বড়ো জয় পেয়েছিলেন। এই জয় এতটাই বড়ো ছিল যে...
হিন্দুদের বোকা বানিয়ে এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে তোষণ করেই বছরের পর বছর ভারতে শাসন করেছে কংগ্রেস। কিন্তু মোদী সরকার আসার পর থেকে কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী নীতিগুলির পর্দাফাঁস করেছে যার ফলস্বরূপ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠরা কংগ্রেসকে হিন্দুবিদ্বেষী ও দেশ বিরোধী পার্টি বলে ঘোষণা করে দিয়েছে। তাই এখন দেশের হিন্দুদের খুশি করতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী(খ্রিষ্টান) নিজেকে পৈতেধারী হিন্দু বলে দাবি করে মন্দিরে মন্দিরে ভ্রমণ করতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গুজরাট ও কর্ণাটক এর প্রচারের আগে প্রায় প্রতিদিন মন্দিরে ভ্রমনে ছিলেন রাহুল গান্ধী। আর এই নিয়েই রাহুল গান্ধীর উপর রেগে আছেন মুসলিম বুদ্ধিজীবি মহল। আপনাদের জানিয়ে রাখি গুজরাট ও কর্ণাটক ভোটের আগে প্রচুর পরিমানে মন্দির ভ্রমন করেই আশানরূপ হিন্দুভোট পাননি রাহুল গান্ধী তাই হিন্দু মন্দির যাওয়া বন্ধ করে আবার মুসলিম বুদ্ধিজীবী ও কংগ্রেসের পুরানো ভোটব্যাঙ্ক দের সাথে বৈঠক করেন এদিন। শোনা যাচ্ছে, মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা বৈঠকে মন্দির যাওয়া নিয়ে রাহুল গান্ধীর উপর ক্ষোপ উগরে দেন। জানা গেছে মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা জানান যে কংগ্রেস পার্টি তাদের আদর্শ ও মুসলিমদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সর...
Comments
Post a Comment